
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা, ৫ সেপ্টেম্বর:ইসলামিক ফাউন্ডেশন খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের আওতাধীন বটিয়াঘাটা উপজেলা অফিসের সাবেক সুপারভাইজার মোঃ মওদুদ আহমেদের বিরুদ্ধে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাছ থেকে অর্থ আদায়, অনৈতিক দাবি এবং অশালীন আচরণের একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে শিক্ষক সমাজ চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।সম্প্রতি ইসলামিক ফাউন্ডেশন খুলনা বিভাগীয় অফিস থেকে এক বৃহৎ পরিসরের রদবদলের অংশ হিসেবে মোঃ মওদুদ আহমেদকে বটিয়াঘাটা থেকে দাকোপ উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। এই বদলির পরই বিভিন্ন অভিযোগ সামনে আসতে শুরু করে।অভিযোগে জানা যায়, সুপারভাইজার মওদুদ আহমেদ বটিয়াঘাটায় দায়িত্ব পালনকালে শিক্ষকদের কাছ থেকে নানা কৌশলে অর্থ, বাজার-সদাই, শার্ট-প্যান্ট, মোটরসাইকেলের পেট্রোল, এমনকি ইলিশ ও চিংড়ি মাছ অনেকের কাছ থেকে নিয়েছেন ও দাবি করতেন। কেউ অনুরোধ রক্ষা না করলে তাদের প্রতি তিনি অশালীন আচরণ করতেন ও বেতন বন্ধের হুমকি দিতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।এছাড়া বটিয়াঘাটা লবণ চোরা সৈয়দ বাড়ীর পাশে জমি ক্রয় করেছেন সুপারভাইজার মওদুদ আহমেদ একজন শিক্ষক দ্বারা জমিটা মাটি দ্বারা ভরাট করেছেন সে শিক্ষক প্রায় অর্ধ লক্ষ টাকা পাবে সুপারভাইজার মওদুদ আহমেদের কাছে। এভাবে অবৈধভাবে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন সুপারভাইজার মওদুদ আহমেদ বটিয়াঘাটা উপজিলাবাসী দুদকের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।অভিযোগকারীদের দাবি, ৫ই আগস্টের পর তিনি জামাত সংশ্লিষ্টতার পরিচয় দিয়ে কিছু শিক্ষকের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অপচেষ্টাও করেন। অতিষ্ঠ হয়ে শিক্ষকরা বিভাগীয় কার্যালয় এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, অতীতে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় দায়িত্ব পালনকালে এক শিক্ষিকার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগের কারণে সেখান থেকে বদলি হয় এবং যশোরে দায়িত্বকালীন সময়ে ৫২ হাজার টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগের কারণে বদলি হন।শিক্ষকদের দাবি, এমন একজন কর্মকর্তাকে যেকোনো উপজেলায় পুনরায় দায়িত্ব প্রদান করা হলে একই ধরনের অনৈতিক ও দুর্নীতিপূর্ণ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে পারেন। তাই তাঁরা চাচ্ছেন, এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।এ বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, “অভিযোগগুলো আমরা পেয়েছি। প্রাথমিকভাবে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রমাণ পাওয়া গেলে অবশ্যই বিভাগীয় ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”এখন দেখার বিষয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কীভাবে এই অভিযোগগুলোর তদন্ত করে এবং ভবিষ্যতে এমন কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে কী পদক্ষেপ নেয়।

স্টাফ রিপোর্টার। 












