ঢাকা , Sunday, 30 November 2025
শিরোনাম ::
নবীনগর উপজেলা বরিকান্দি ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ গুলিবিদ্ধ হয়ে ১ জন নিহত,ও ৩ জন আহত হয় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি। জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার লড়াইয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, এডভোকেট এম এ মান্নান। নবীনগরে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও পথসভা অনুষ্ঠিত। নবীনগরে বিদ্যাকুট ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের উদ্যোগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত। নবীনগরে যুবদল নেতার ওপর নিজ বাড়ির সামনে গুলিবর্ষণ, গুরুতর আহত মুকুলকে ঢাকায় প্রেরণ। দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বটিয়াঘাটার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। নবীনগরে শিক্ষার্থী জুঁই হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন। সুশৃঙ্খল পরিবেশে সম্পন্ন হলো মাদকবিরোধী গণশুনানি ময়মনসিংহে। বাগেরহাটের রামপালে মাছ চুরির প্রতিবাদ করায় দুইজনকে মারপিট, থানায় অভিযোগ। বটিয়াঘাটা থানায় নবাগত ওসির যোগদান।
নোটিশ :
আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম। আপডেট নিউজ থিমটি ক্রয় করতে আমাদের কল করুন 01732667364। আমাদের আরো নিউজ থিম দেখতে ভিজিট করুন www.themesbazar.com

নবীনগর উপজেলা বরিকান্দি ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ গুলিবিদ্ধ হয়ে ১ জন নিহত,ও ৩ জন আহত হয় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি।

নবীনগর উপজেলা প্রতিনিধি।

​ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি হামলা ও গোলাগুলির ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে,গত শনিবার (১ নভেম্বর) রাতে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে অন্তত ৪ জন গুলিবিদ্ধ হন। নিহতের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ফের উত্তেজনা, হামলা, ভাঙচুর ও গোলাগুলির আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় পুলিশ, র‍্যাব ও সেনা সদস্যরা টহল দিচ্ছেন।এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত অনুমানিক ৮টার দিকে নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের গণি শাহ মাজার সংলগ্ন বাজারে একটি নাস্তার দোকানে নূরজাহানপুরের মনেক মিয়ার ছেলে শিপন মিয়া নাস্তা করছিলেন। এই সময় ইমরান মাস্টার-এর নেতৃত্বে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আচমকা হোটেলটিতে গুলি ছুঁড়তে ছুঁড়তে প্রবেশ করে।এলোপাথাড়ি গুলিতে শিপন মিয়া এবং হোটেলের কর্মচারী ইয়াছিন ও নূর আলম গুলিবিদ্ধ হন।রিফাত জানান ইমরান মাস্টার নেতৃত্বে কালাম, রুবেল, সোহাগ, আরাফাত ও আবাস নামক ব্যক্তিরা এই হামলায় যুক্ত ছিলেন।রিফাত ও স্থানীয়রা ​গুরুতর আহত অবস্থায় শিপন মিয়াকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। রাতভর চিকিৎসার পর আজ (রবিবার) ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।​এদিকে, শিপনের ওপর হামলার খবর তার এলাকায় পৌঁছালে তার পক্ষের লোকজন উত্তেজিত হয়ে ওঠে। তারা গণি শাহ মাজারের অদূরে তালতলায় গিয়ে স্থানীয় এমরান হোসেন মাস্টার-এর অফিসে ভাঙচুর করে হামলা চালায়। এ সময় তাদের ছোঁড়া গুলিতে এমরান মাস্টারও গুলিবিদ্ধ হন। জানা গেছে, এমরান মাস্টার পার্শ্ববর্তী শ্যামগ্রাম মোহিনী কিশোর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকতা করেন এবং তার বাড়ি বড়িকান্দি ইউনিয়নের থোল্লাকান্দি গ্রামে।সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ৪ জনকেই চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। এদের মধ্যে শিপন মিয়া মারা গেলেও, গুলিবিদ্ধ ইয়াছিনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।নিহত শিপনের মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ফের হামলা, ভাঙচুর ও গোলাগুলির তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত থমথমে। বিশেষ করে এমরান মাস্টারের বাড়ি থোল্লাকান্দি গ্রামে বর্তমানে ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে। এমরান মাস্টারকে তার বাড়িতে পাওয়া যায়নি, তার বাড়ির বাউন্ডারি গেটে তালা ঝুলতে দেখা গেছে। তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শনিবার রাত থেকেই বড়িকান্দি ইউনিয়নে অতিরিক্ত পুলিশ, র‍্যাব ও সেনা সদস্যরা মোতায়েন করা হয়েছে এবং তারা টহল দিচ্ছেন। নবীনগর সার্কেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। ​এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করায় স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

নবীনগর উপজেলা বরিকান্দি ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ গুলিবিদ্ধ হয়ে ১ জন নিহত,ও ৩ জন আহত হয় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি।

নবীনগর উপজেলা বরিকান্দি ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ গুলিবিদ্ধ হয়ে ১ জন নিহত,ও ৩ জন আহত হয় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি।

আপডেট সময় 05:14:34 pm, Sunday, 2 November 2025

নবীনগর উপজেলা প্রতিনিধি।

​ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি হামলা ও গোলাগুলির ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে,গত শনিবার (১ নভেম্বর) রাতে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে অন্তত ৪ জন গুলিবিদ্ধ হন। নিহতের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ফের উত্তেজনা, হামলা, ভাঙচুর ও গোলাগুলির আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় পুলিশ, র‍্যাব ও সেনা সদস্যরা টহল দিচ্ছেন।এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত অনুমানিক ৮টার দিকে নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের গণি শাহ মাজার সংলগ্ন বাজারে একটি নাস্তার দোকানে নূরজাহানপুরের মনেক মিয়ার ছেলে শিপন মিয়া নাস্তা করছিলেন। এই সময় ইমরান মাস্টার-এর নেতৃত্বে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আচমকা হোটেলটিতে গুলি ছুঁড়তে ছুঁড়তে প্রবেশ করে।এলোপাথাড়ি গুলিতে শিপন মিয়া এবং হোটেলের কর্মচারী ইয়াছিন ও নূর আলম গুলিবিদ্ধ হন।রিফাত জানান ইমরান মাস্টার নেতৃত্বে কালাম, রুবেল, সোহাগ, আরাফাত ও আবাস নামক ব্যক্তিরা এই হামলায় যুক্ত ছিলেন।রিফাত ও স্থানীয়রা ​গুরুতর আহত অবস্থায় শিপন মিয়াকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। রাতভর চিকিৎসার পর আজ (রবিবার) ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।​এদিকে, শিপনের ওপর হামলার খবর তার এলাকায় পৌঁছালে তার পক্ষের লোকজন উত্তেজিত হয়ে ওঠে। তারা গণি শাহ মাজারের অদূরে তালতলায় গিয়ে স্থানীয় এমরান হোসেন মাস্টার-এর অফিসে ভাঙচুর করে হামলা চালায়। এ সময় তাদের ছোঁড়া গুলিতে এমরান মাস্টারও গুলিবিদ্ধ হন। জানা গেছে, এমরান মাস্টার পার্শ্ববর্তী শ্যামগ্রাম মোহিনী কিশোর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকতা করেন এবং তার বাড়ি বড়িকান্দি ইউনিয়নের থোল্লাকান্দি গ্রামে।সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ৪ জনকেই চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। এদের মধ্যে শিপন মিয়া মারা গেলেও, গুলিবিদ্ধ ইয়াছিনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।নিহত শিপনের মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ফের হামলা, ভাঙচুর ও গোলাগুলির তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত থমথমে। বিশেষ করে এমরান মাস্টারের বাড়ি থোল্লাকান্দি গ্রামে বর্তমানে ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে। এমরান মাস্টারকে তার বাড়িতে পাওয়া যায়নি, তার বাড়ির বাউন্ডারি গেটে তালা ঝুলতে দেখা গেছে। তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শনিবার রাত থেকেই বড়িকান্দি ইউনিয়নে অতিরিক্ত পুলিশ, র‍্যাব ও সেনা সদস্যরা মোতায়েন করা হয়েছে এবং তারা টহল দিচ্ছেন। নবীনগর সার্কেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। ​এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করায় স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছে।