জুনায়েদ,সদর প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
আজ ২৭ ই জুলাই রোজ রবিবার সকাল ৬ টা থেকেই অনির্দিষ্ট কালের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সকল সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকদের কর্মবিরতি। এতে চরম দূর্ভোগে সাধারণ যাত্রীবৃন্দ, অসুস্থ রোগী ও ছাত্র- ছাত্রীরা।রাস্তায় পর্যাপ্ত যানবাহন না থাকায় অতিরিক্ত ভাড়া পরিশোধ করে রাস্তা পারাপার করতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীবৃন্দের। এতে একদিকে যেমন অতিরিক্ত টাকা অন্যদিকে যাত্রী দূর্ভোগ। অসুস্থ রোগীরা হসপিটালে পৌঁছাতে বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। ছাত্র- ছাত্রীরা যথাসময়ে ক্লাসে উপস্থিত হতে পারছে না। বাসগুলো দেড়গুণ টাকা আদায় করছে। আবার অনেকে গাড়ি না পেয়ে হেঁটেই এক জায়গা হতে অন্য জায়গায় গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে।সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকদের অভিযোগ ট্রাফিক পুলিশদের অত্যাচারে আমরা রাস্তায় গাড়ি চালাতে পারি না।রাস্তায় দেখলেই মামলা দিয়ে দেয় বিভিন্ন কারণে। আমরা সারাদিনে ইনকাম করি ই বা কত টাকা, মামলা দিয়ে আমাদের কাছ থেকে হাজার - হাজার টাকা নিয়ে নেই। এতে করে আমাদের সংসার ও ছেলে - মেয়েদের পড়াশোনার খরচ চালানো অসম্ভব হয়ে পরেছে।এদিকে জেলা সিএনজি চালিত অটোরিকশা মালিক সমিতির সভাপতি হাজি মো. মিজানুর রহমান বলেন, “ট্রাফিক পুলিশ অটোরিকশাগুলো অকারণে আটকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করছে। অথচ দীর্ঘদিন ধরে নতুন রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যেই শতাধিক গাড়ি জব্দ করেছে পুলিশ।শনিবার অনুষ্ঠিত মালিক সমিতির জরুরি বৈঠকে এসব অভিযোগের ভিত্তিতে ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।রবিবার সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে চালক ও মালিকদের বৈঠক শুরু হয়েছে। আলোচনায় সমাধান হলে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হবে বলেও জানিয়েছেন নেতারা।খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক মো. সজীব মিয়া জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপার কোনো অনিয়মকে প্রশ্রয় দেন না। সিএনজিচালকরা যে সকল অভিযোগ করছেন তা সত্য নয়। এসব বিষয় জেলা কর্মকর্তারা সিএনজি মালিক শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেবেন।